অবশেষ রাজ্যসভায় পাশহয়ে মহিল আসন সংরক্ষণ বিল৷ তবে বিল পাশ হওয়ার আগে যে ভাবে হাই ড্রামা সভায়হল তা হয়ত বিলের মত ইতিহাস হয়ে রইল৷ সকাল বেলায় রাজ্যসভায় সাত সাংসদকেবহিস্কার করার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে সভা 2-টো পর্যন্ত মুলতুবি করেদিয়েছিলেন সভার চেয়ারম্যান হামিদ আনসারি৷
এরপরে বেলা দুটো সভা শুরু হলে সভায় মধ্যে একই ভাবে বিল সর্মথক ও বিরোধীদেরমধ্যে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়৷ অবস্থা সামাল দিতে দ্বিতীয়বারের জন্য সভামুলতুবি করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন হামিদ আনসারি৷ পরে নতুন করে সভা শুরু হয়বেলা তিনটের সময়৷ সভা শুরু হতে চেয়ারম্যান আনসারি বিল পাশ করার জন্যসাংসদের কাছে ভোটাভুটির আবেদন জানান৷
তখনবিজেপি সহ সভায় বিলের সর্মথকরা বিল নিয়ে আলোচনার দাবি জানান৷উপ-রাষ্ট্রপতি সেই দাবি মেনে নিয়ে বিল নিয়ে আলোচনার দাবি মঞ্জুর করে সভায়বিজেপি নেতা অরুণ জেটলিকে বক্তব্য রাখতে অনুরোধ করেন৷ এর পরে ধ্বনি ভোটেসভায় বিল পাশ হয়ে যায়৷ চেয়ারম্যান'কে বিলের সর্মথকর'রা একযোগে জানান তাদেরভোট বিলের সর্মথনে নতিবদ্ধ করার আগে আলোচনার সুযোগ দেওয়ার জন্য৷
এইসময় তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় সভায় জানান তারা নীতিগত ভাবে মহিলাবিলের সর্মথক৷ তবে যে ভাবে সরকার বিরোধী ও ইউ পি এ সর্মথকদের সঙ্গে আলোচনানা করে বিল পেশ ও সভায় পাশ করানোর জন্য যে ভাবে চাপ দিচ্ছেন তা সর্মথনযোগ্য নয়৷ সেই কারণে তারা বিলের ভোটাভুটি'র সময় তাদের সাংসদরা সভায় থাকবেননা৷ তৃণমূলের এই ঘোষণার পরে দৃশ্যত হতবাক হয়ে যান সভায় থাকা কংগ্রেস নেতাও মন্ত্রীরা৷ এমন কি বাম সাংসদরা নিজেদের মধ্যে নিচু গলায় বলতে থাকেনতৃণমূল এমন সিদ্ধান্ত কেন নিল তা বোঝা শক্ত৷ ভোটের পরে এক বাম সাংসদ বলেনমমতার রাজনীতি ওর মত বোঝার অগম্য৷
শেষপর্যন্ত ধ্বনি ভোটের পরে ভোটাভুটিতে মহিল আসন সংরক্ষণ বিলের সর্মথনে 186 ওবিপক্ষে 1-টি ভোট পরে৷ বিল পাশ হয়ে যাওয়ার পরে কংগেস নেতৃত্ব খুশিহলে,তাদের ভেতরের গোপন উদ্বেগে চাপ পড়ে নি৷ একদিকে যেমন বিল নিয়ে প্রথমদিনে একদা কংগ্রেস সঙ্গী আর জে ডি ও সমাজবাদী পার্টি সরকার থেকে সর্মথনপ্রত্যাহার৷ অন্যদিকে ভোটাভুটির ঠিক আগে তৃণমূল সাংসদদের সভা থেকে ওয়াকআউটনিয়ে বিচলিত নেতৃত্ব৷ এক কংগ্রেস নেতা জানা, মমতা আর যাই হোক কোন দলেরবিশ্বাস যোগ্য সঙ্গী হতে পারে৷